হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান
ঢাকা , যশোর , সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
একতরফা দাখিলা পদ্ধতি
১১ নং প্রশ্নের উত্তর

১১) জনাব আব্দুস সবুর একজন খুচরা ব্যবসায়ী । তিনি একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে হিসাব সংরক্ষন করেন ।২০১৭ সালে তার অবস্থা নিম্নরূপ ছিলো:

হিসাবের নাম
১ জানুয়ারি, ২০১৭ (টাকা)
৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ টাকা
প্রাপ্য হিসাব
কলকব্জা
১২% বিনিয়োগ (০১-০৯-২০১৭)
প্রদেয় হিসাব
মজুদ পণ্য
আসবাবপত্র
১৫% ব্যাংক ঋণ (০১-০৫-২০১৭)
নগদ তহবিল
প্রাপ্যবিল
১২,০০০
৪০,০০০
২০,০০০
৮,০০০
৭,০০০
-
২০,০০০
৪,০০০
৫,০০০
২০,০০০
৪০,০০০
২০,০০০
১৫,৫০০
১২,০০০
১০,০০০
-
১০,০০০
৪,০০০

জনাব আব্দুস সবুর প্রতি মাসে কারবার থেকে ২,০০০ টাকা নগদ এবং ১৩,০০০ টাকা মূল্যের পণ্য  নিজ প্রয়োজনে উত্তোলন করেছেন। প্রদেয় হিসাবের ওপর ২% বাট্টা সঞ্চিতির ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আসবাবপত্রের উপর ১০% অবচয় ও প্রাপ্য হিসাবের ওপর ৫% অনাদায়ি পাওনা সঞ্চিতি এবং মূলধনের ওপর ২% হারে সুদ ধার্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ক. বিনিয়োগের সুদ ও ব্যাংক ঋণের সুদ নির্ণয় কর।

খ. প্রারম্ভিক মূলধন এবং সমাপনী মূলধন নির্ণয় কর।

গ. নিট আয় ৫৩,৩১০ টাকা ধরে বৈষয়িক বিবরণী তৈরি কর।

[ ঢা.বো. , য.বো. , সি.বো. , দি. বো ২০১৮]

HSC Accounting 1st Paper Board Question and Slove
Dhaka , Jashore, Sylhet, Select Dinajpur Dinajpur Board 2018
Single Entry System
Answer to the question no. 11

সমাধান- ক. বিনিয়োগের সুদ ও ব্যাংক ঋণের সুদ নির্ণয় কর।

বিনিয়োগের সুদ ও ব্যাংক ঋণের সুদ নির্ণয় ঢাকা বোর্ড ২০১৮ , dhaka board 2018 accounting

নির্দেশনা:-  যেকোন সুদ বের করতে হলে ।

সুদ= ঐ হিসাব × সুদের হার × নিচে ১২ উপরে অতিক্রান্ত মাস ( ১২ দ্বারা ভাগ , অতিক্রান্ত মাস দ্বারা গুন )

বিনিয়োগের সুদ: এখানে বিনিয়োগে তারিখ দেওয়া আছে (০১-০৯-২০১৭) । মানে ২০১৭ সালের  সেপ্টেম্বরের প্রথমে বিনিয়োগ কর হয়েছে । এখান থেকে ডিসেম্ব পর্যন্ত গণনা করলে আমরা বুঝতে পারি বিনিয়োগ হয়েছে ৪ মাস আগে মানে ৪ মাসের সুদ হবে। অতিক্রান্ত মাস = ৪।মানে নিচে ১২  উপরে ৪ হবে। (তারিখ উল্লেখ না থাকলে সরাসরি ১২% হতো।

ঋণের সুদ: একই ভাবে ঋণ ৫ম মান ( মে মাস) এ নেওয়া হয়েছে ।তাহলে ঋণের বয়স ৮ মাস । মানে উপরে ৮ নিচে ১২ হবে। (% করলেই ১২ মাসের সুদ বের হয় তাই নিচে ১২ হয়)

সমাধান- খ. প্রারম্ভিক মূলধন এবং সমাপনী মূলধন নির্ণয় কর।

প্রারম্ভিক মূলধন এবং সমাপনী মূলধন নির্ণয় ঢাকা বোর্ড ২০১৮ ,

নির্দেশনা:- আমরা জানি,

মূলধন = সম্পদ – দায়

অথ্যাৎ সম্পদ থেকে দায় বিয়োগ করলেই মূলধন বের হয়। এখানেও তাই করতে হবে। একই সাথে দুই মূলধন বের করতে প্রারম্ভিক ও সমাপনির জন্য দুটি টাকার ঘর নিতে হবে। প্রশ্নে প্রদত্ত হিসাব গুলো এক এক করে ‍দিতে থাকবো। দায় হলে দায়ের ঘরে সম্পদ হলে সম্পদের ঘরে।

  • বিনিয়োগ ২০১৭ এর  ৯ম মাসে করা হয়েছে তাই তাই এটি সমাপনী সম্পদে  যাবে । প্রারম্ভিকে যাবে না।
  • ব্যাংক ঋণ ২০১৭ এর মে (৫ম) মাসে নেওয়া হয়েছে তাই এটি সমাপনী দায়ে যাবে । প্রারম্ভিকে যাবে না।

সবগওলো দেওয়ার পর আমরা T ছেক এর মতো জের নির্ণয় করবো । আর ওই জেরই হলো মূলধন।

সমাধান- গ.নিট আয় ৫৩,৩১০ টাকা ধরে বৈষয়িক বিবরণী তৈরি কর।

বৈষয়িক বিবরণী ঢাকা বোর্ড ২০১৮

নির্দেশনা:- বৈষয়িক বিবরণী মানেই হলো আর্থিক অবস্থার বিবরনী অর্থ্যাৎ মোট সম্পদ= মোট দায়ও মালিকানাস্বত্ত্ব দেখাতে হবে। এখানে শুধু সমাপণী যাবে কারণ বছরের শেষে প্রস্তুত করা হচ্ছে ।  সবগুলো সম্পদকে সম্পদের দিকে দিতে হবে। দায় ও মূলধন কে অপরদিকে দিতে হবে।সমন্বয়সমূহ যোগ/বিয়োগ করতে হবে। দুই পাশ মিললে অংক হয়ে গেলো । না মিললে আমরা ১-২ বার রিভিশন করে দেখবো  আমাদের ভুল হয়েছে কি না, ভুল না পেলে যে পাশে কম হয়েছে সেখানে অনিশ্চিত হিসাব দিতে হবে।

এই বোর্ডের সকল প্রশ্ন ও সমাধান এখানে-  আব্দুস সবুর ( একতরফা দাখিলা ) – ঢাকা , যশোর , সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮ প্রশ্ন নং ১১ সমাধান

[ কোন ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে বা মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ]

Leave a Reply