৬ নং প্রশ্নের উত্তর – ঢাকা , যশোর , সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

 ৬) ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ তারিখে সমিহ রহমানের তথ্যাবলি পড় এবং নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:

(১) পাস বহি অনুজয়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৪৪,৪০০ টাকা ।

(২) ৩,০০০ টাকার ১টি প্রাপ্যবিল ২,৪০০ টাকায় ব্যাংকে বাট্টা করা হয়েছে । মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিলটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, যার জন্য নগদান বইতে কোনো দাখিলা দেওয়া হয়নি।

(৩) সমিহ রহমানের ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে ব্যাংক হতে ৩,০০০ টাকা উত্তোলন  করেছেন কিন্তুু তা নগদান ভুক্ত হয় নি।

(৪)চেক কাটা হয়েছে , কিন্তু ভাঙানো হয় নি ১১,৪০০ টাকা।

(৫) ব্যাংক কতৃক ৬,৬০০ টাকার একখানা বিলের বিপরীতে ৬,০০০ টাকা আদায় করেছে। কিন্তু উক্ত বিলের সম্পূর্ণ মূল্য দ্বারা নগদানভুক্ত হয়েছে।

 (৬) ব্যাংক কতৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ ১,০০০ টাকা এবং ব্যাংক কতৃক কর্তনকৃত চার্জ ১,০০০ টাকা।

(৭) ব্যাংক একজন পাওনাদারকে ৬,০০০ টাকা পরিশোধ করেছে, যা নগদানভুক্ত হয়নি।

(৮) ব্যাংক লভ্যাংশ আদায় করেছে ৬,৬০০ টাকা যা, নগদানভুক্ত হয়নি।

ক. বিল আদায় ও বাট্টাকরণ বাবদ মোট কত টাকা ব্যয় হয়েছে?

খ. ব্যাংক সমন্বয় বিবরনী তৈরি কর।

গ. নগদান বই অনুসারে ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৩৫,০০০ টাকা ধরে ব্যাংক সমন্বয় বিবরনী তৈরি কর।

 [ ঢা.বো. , য.বো. , সি.বো. , দি. বো ২০১৮]

সমাধান- ক. বিল আদায় ও বাট্টাকরণ বাবদ মোট ব্যয়:-

বিল আদায় ও বাট্টাকরণ বাবদ মোট ব্যয়, ঢাকা ২০১৮

নির্দেশনা:-  সাধারনত দেনাদার এবং পাপ্য  নোটের টাকা আদায়ের  সময় যে বাট্টা ( ছাড়/ ডিকাউন্ট) দেওয়া হয় ওগুলোই হলো বিল আদায় ও বাট্টাকরণ খরচ। এখানে আমাদের সেটাই নির্ণয় করতে হবে।

ক্রমিক নং-২ : এখানে ৩,০০০ টাকার প্রাপ্যবিল ২,৪০০ টাকায় ভাঙানো/বাট্টা করা হয়েছে। অথ্যাৎ বাট্টা = (৩,০০০-২,৪০০)=৬০০ টাকা।

এমিক নং- ৫: ৬,৬০০ টাকার বিপরীতে  ৬,০০০ টাকা আদায়। মানে, বাট্টা= (৬,৬০০-৬,০০০)= ৬০০ টাকা।

সমাধান- খ. ব্যাংক সমন্বয় বিবরনী তৈরি:-

ব্যাংক সমন্বয় বিবরনী ঢাকা ২০১৮

নির্দেশনা:- ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী মানেই হলো ব্যাংক বই এবং পাস বইয়ের মিলকরণ। আর মিলকরণ  করেত যা করতে তা হলো বেশি লিখলে কমাতে হবে। কম লিখলে বাড়াতে হবে।

যেহেতু এখানে ব্যাংক বই অনুসারে ব্যালেন্স দেওয়া আছে । অথ্যাৎ আমরা শুধু পাস বহি পরিবর্তন করতে পারবো. সেহেতু আমরা ৩ টি বিষয় করবো:-

১. প্রথমেই দেখবো ব্যাংক বই বা পাস বহিতে লেখা হয়েছে নাকি হয়নি?

২. লেখা হলে উল্টিয়ে দিবো ( মানে যোগ থাকলে বিয়োগ , বিয়োগ থাকলে যোগ)।

৩. লেখা না হলে সোজাসুজি লিখবো । ( যোগ হলে যোগ , বিয়োগ হলে বিয়োগ)

তো এভাবে একে একে শুরু করি।

২ নং- প্রাপ্য বিল প্রত্যাখ্যাত হয়েছে সেটা ব্যাংক বইয়ে লেখা হয়েছে কিন্তু নগদান বহিতে লেখা হয় নি। ।অথ্যাং নগদান বহির সাথে মিল করতে হলে আমদের পাস বহিতে যা করা হয়েছেলো তার উল্টো করতে হবে। প্রপ্য বিল প্রত্যাখ্যাত হলে টাকা কমে মানে (-) হয় । এখানে তার উল্টো (+) করতে হবে। টাকা পুরোটই যাবে করণ বিল প্রত্যাখ্যাত হলে বাট্টাও বাতিল। (লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

৩ নং- ব্যক্তিগত প্রয়োজনে উত্তোলন যা নগদান বহিতে লেখা হয় নি । মানে ব্যাংক বহিতে লেখা হয়েছে । যেহেতু লেখা হয়েছে মানে সমান করতে হলে উল্টো করতে হবে। উত্তোলন হলে টাকা কমে মানে (-) হয় । এখানে উল্টো (+) করতে হবে।(লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

৪ নং- চেক কাটার সময় নগদান বহিতে লেখা হয়েছে , ভাঙানো হয় নি  মানে ব্যাংকে নেওয়াই হয় নি । অথ্যাৎ ব্যাংকে লিখা হয় নি। যেহেতু লেখা হয় নি , সমান করার জন্য সোজাসুজি লিখতে হবে। চেক কাটলে টাকা কমে মানে(-) হয় এখানেয় সোজা (-) করতে হবে। ( লেখা হয় নি তাই সোজা)

৫ নং- এখানে নগদান বহি ৬০০ টাকা বেশি লিখেছে । মানে ঐ ৬০০ টাকা ব্যাংক বহিতে লিখা হয় নি মানে সোজা লিখতে হবে।  বিল আদায় হলে টাকা বাড়ে মানে (+) হয় এখনেওে সোজ (+) হবে।( লেখা হয় নি তাই সোজা)

৬ নং- সুদ ও চার্জ সরাসরি  ব্যাংক কতৃক হয়েছে। মানে এগুলো ব্যাংকে লেখা হয়েছে মানে উল্টো হবে। সুদ হলে টাকা বাড়ে (+) হয় , এখানে উল্টো (-) হবে। আবর চার্জ মানে টাকা কমা (-) হয় এখানে উল্টো (+) হবে।(লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

৭ নং- ব্যাংক পাওনাদারকে পরিশোধ করেছে মানে ব্যাংকে লেখা হয়েছে। অথ্যাৎ উল্টা করতে হবে। পরিশোধ করলে টাকা কমে (-) হয়, এখানে উল্টো (+) করতে হবে।(লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

৮ নং- ব্যাংক কতৃক লভ্যাংশ আদায় মানে ব্যাংকে লেখা হয়েছে মানে উল্টা করতে হবে। লভ্যাংশ আদায় করলে টাকা বাড়ে মানে (+) হয় ,এখানে উল্টো (-) করতে হবে। (লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

সমাধান- গ. হিসাব সমীকরণের উপর লেনদেনের প্রভাব

নগদান বই অনুসারে ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৩৫,০০০ টাকা ধরে ব্যাংক সমন্বয় বিবরনী তৈরি

নির্দেশনা: এভাবে একদিক থেকে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী করার পর অন্য দিক থেকে করতে বললে শুধু যোগেরগুলো বিয়োগ এবং বিয়োগেরগুলো যোগ করলেই হবে। তবুও ভালোভোবে বোঝার স্বার্থে ব্যাখ্যা করা হলো । ”খ” নাম্বার ছাড়াই সমাধান করার জন্য।

নগদান বহি অনুযায়ী ব্যাংক জমা দেওয়া আছে।অথ্যাৎ শুধু  নগদান বহি কমাতে বাড়াতে পারবো। তাই আমাদের ৩ টি বিষয় করতে হবে:-

১. প্রথমেই দেখবো নগদান বহিতে লেখা হয়েছে নাকি হয়নি?

২. লেখা হলে উল্টিয়ে দিবো ( মানে যোগ থাকলে বিয়োগ , বিয়োগ থাকলে যোগ)।

৩. লেখা না হলে সোজাসুজি লিখবো । ( যোগ হলে যোগ , বিয়োগ হলে বিয়োগ)

২ নং- প্রাপ্যবিল প্রত্যাখ্যাত যা নগদান বহিতে লেখা হয় নি। লেখা না হলে সোজা হবে। বিল পত্যাখ্যাত হলে ব্যাংকের টাকা কমে মানে (-) হয়। এখানেও সোজা (-) হবে। সম্পূর্ণ  টাকা হবে কারণ বিল প্রত্যাখ্যাত মানে বাট্টাও বাতিল।(  লেখা হয় নি তাই সোজা)

৩ নং- ব্যাংক হতে উত্তোলন নগদান বহিতে লেখা হয় নি মানে সোজা হবে। উত্তোলন করলে ব্যাংকের টাকা কমে মানে (-) হয়। এখানেও সোজা (-) হবে। ( লেখা হয় নি তাই সোজা)

৪ নং- চেক কাটার সময় অবশ্যই নগদান বহিতে লেখা হয়েছে। লেখা হয়েছে মানে উল্টা হবে। চেক কাটলে ব্যাংকের টাকা কমে মানে (-) হয়, এখানে উল্টো (+) হবে। (লিখা হয়েছে তাই উল্টো)

৫ নং- নগদান বহিতে ৬০০ টাকা বেশি লিখা হয়েছে । লিখা হয়েছে মানে উল্টো করতে হবে। বিল আদায় হলে টাকা বাড়ে মানে (+) হয়। এখানে উল্টা (-) হবে। (লেখা হয়েছে তাই উল্টো)

৬নং- ব্যাংক সুদ ও চার্জ নগদান বহিতে লেখা হয় নি মানে সোজ হবে। সুদ মান ব্যাংকের টাকা বাড়ে তাই (+) হবে। চার্জ হলে টাকা কমে মানে (-) হবে।( লেখা হয় নি তাই সোজা)

৭ নং- ব্যাংক সরাসরি পাওনাদারকে দিয়েছে মানে নগদান বহিতে লেখা হয় নি মানে সোজা হবে। পওনাদরকে পরিশোধ করলে  ব্যাংকরে টাকা কমে মানে (-) হয় । এখানেও সোজ (-) হবে। ( লেখা হয় নি তাই সোজা)

৮ নং- ব্যাংক লভ্যাংশ আদায় করেছে যা নগদানভুক্ত হয় নি। লেখা হয়নি মানে সোজা ।লভ্যাংশ আদায় হলে ব্যাংকের টাকা বাড়ে মানে (+) হয়। এখানেও সোজা (+) হবে।

এই বোর্ডের সকল প্রশ্ন ও সমাধান একসাথে –  ঢাকা , যশোর , সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮ হিসাববিজ্ঞান প্রথম প্রত্র সম্পূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান-HSC

[ কোন ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে বা মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ]

This Post Has One Comment

  1. Bappy

    Pdf din

Leave a Reply